মালয়েশীয় পাম অয়েলের সাপ্তাহিক বাজার ঊর্ধ্বমুখী

টানা দুই সপ্তাহ দরপতনের পর মালয়েশীয় পাম অয়েলের সাপ্তাহিক বাজার কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

যদিও গত শুক্রবার সাপ্তাহিক বাজারের শেষ দিনে পণ্যটির দাম সামান্য কমেছে। মূলত সয়াবিন তেলের বাজারে মন্দা ভাব এবং রফতানি চাহিদা কম থাকায় শেষ দিনে এ দরপতন দেখা দেয়। খবর বিজনেস রেকর্ডার।

বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে মে মাসে সরবরাহ চুক্তিতে গত শুক্রবার পাম অয়েলের দাম টনপ্রতি ২৭ রিঙ্গিত বা দশমিক ৬৬ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৯০ রিঙ্গিতে (১ হাজার ৪৮ ডলার ৭২ সেন্ট)। তবে গত সপ্তাহের হিসাবে দাম সামগ্রিকভাবে দশমিক ৯৯ শতাংশ বেড়েছে।

মুম্বাইভিত্তিক সানভিন গ্রুপের কমোডিটি রিসার্চ প্রধান অনিলকুমার বাগানি জানান, বর্তমানে বাজারের সব নজর ফেব্রুয়ারির রফতানি ও উৎপাদন তথ্যের ওপর। কার্গো জরিপকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, ১-২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মালয়েশিয়া থেকে পাম অয়েল রফতানি ৮ দশমিক ৯ থেকে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। এ কারণে বাজারে কিছুটা প্রভাব পড়েছে।

অনিলকুমার বাগানি আরো জানান, দক্ষিণ আমেরিকায় সয়াবিন তেলের দাম অনেক কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে পাম অয়েলের বাজারে। এছাড়া রমজানের আগে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় আগাম ফসল সংগ্রহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি চান্দ্র নববর্ষের ছুটিতে চীনের বাজার বন্ধ থাকাও দাম কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। অন্যদিকে মার্চ থেকে নতুন রফতানি শুল্ক কার্যকর হতে পারে। এ শুল্ক এড়াতে ইন্দোনেশীয় রফতানিকারকরা এখন বেশি পরিমাণে পণ্য বিক্রির চেষ্টা করছেন। এসব কারণে পাম অয়েলের দামের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

আরও